BBC NEWS BANGLA | বিবিসি নিউজবাংলা

ADVERTISEMENT

হাদি হত্যা মামলায় রিমান্ড শেষে মাজেদুলের জবানবন্দি

হাদি হত্যা মামলায় রিমান্ড শেষে মাজেদুলের জবানবন্দি

শহীদ ওসমান হাদি হত্যা মামলায় অস্ত্র বিক্রেতার স্বীকারোক্তি, কারাগারে প্রেরণ

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদিকে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় সন্দেহভাজন আসামি চট্টগ্রামের অস্ত্র বিক্রেতা মো. মাজেদুল হক হেলাল আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তিন দিনের রিমান্ড শেষে শনিবার তাকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। পরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তার জবানবন্দি রেকর্ডের আবেদন করেন।

আবেদনের পর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমান আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পল্টন থানার সাধারণ নিবন্ধন (জিআর) শাখার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. মামুন। তিনি জানান, জবানবন্দি শেষে আদালত মাজেদুলকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

এর আগে চট্টগ্রামের চকবাজার এলাকা থেকে গ্রেপ্তারের পর ১৫ এপ্রিল তাকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ওসমান হাদি হত্যা মামলায় ব্যবহৃত পিস্তলটি নরসিংদী এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয় থানায় অস্ত্র আইনে একটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়। ফরেনসিক পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া গেছে, উদ্ধার করা অস্ত্র থেকেই ঘটনাস্থলে পাওয়া গুলি ছোড়া হয়েছিল।

তদন্তে আরও জানা যায়, পিস্তলটি ঢাকার একটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ২০১৭ সালে বিক্রি হয়ে পরে ২০১৮ সালে চট্টগ্রামের একটি অস্ত্র ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের কাছে যায়। ওই প্রতিষ্ঠানের মালিকই আসামি মাজেদুল হক হেলাল। তবে তার লাইসেন্স ২০১৪ সালের পর আর নবায়ন করা হয়নি।

উল্লেখ্য, শরিফ ওসমান বিন হাদি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পল্টনের বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় তাকে গুলি করা হয়। পরে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তিনি মারা যান। এ ঘটনায় প্রথমে হত্যা চেষ্টা মামলা হলেও পরবর্তীতে তা হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।

এর আগে এই মামলায় ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হলেও বাদীর নারাজির পর আদালত অধিকতর তদন্তের জন্য মামলাটি সিআইডিকে হস্তান্তর করেন। বর্তমানে সংস্থাটি নতুন করে তদন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp

এইরকম আরও খবর

সর্বশেষ খবর

বিজ্ঞপ্তিঃ